নোটিশ
শতকের আশির দশকে যখন পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর ও আলীপুর মৎস্য বন্দর হিসেবে পরিচিতি পেতে শুরু করে, তখন থেকেই মহিপুর আলীপুর মৎস্য হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়। নিচে এই প্রতিষ্ঠানের বিবর্তনের ইতিহাস বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো: ১. প্রেক্ষাপট ও প্রতিষ্ঠা (আশির দশক) ১৯৮০-এর দশকে আন্ধারমানিক নদীর দুই তীরে মহিপুর ও আলীপুর মৎস্য আড়তগুলো গড়ে ওঠে। তখন সাগরের মাছ ট্রলার থেকে নামানো (আনলোডিং), বরফ দেওয়া এবং ট্রাকে লোড করার জন্য বিপুল সংখ্যক শ্রমিকের প্রয়োজন দেখা দেয়। শুরুতে এই শ্রমিকরা অসংগঠিত ছিল, যার ফলে মজুরি নিয়ে প্রায়ই আড়তদার ও ট্রলার মালিকদের সাথে বিরোধ তৈরি হতো। এই বিশৃঙ্খলা দূর করতে এবং শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত করতে স্থানীয় শ্রমিক নেতাদের উদ্যোগে একটি অনানুষ্ঠানিক সমিতি গঠিত হয়।..... বিস্তারিত
সাম্প্রতিক খবর
ভিডিও গ্যালারী
সভাপতি
পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দুই মৎস্য বন্দর—মহিপুর ও আলীপুরের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি, আমার প্রাণপ্রিয় মৎস্য হ্যান্ডলিং শ্রমিক ভাই ও বন্ধুগণ, আসসালামু আলাইকুম। দক্ষিণাঞ্চলের মৎস্য শিল্পের হৃদপিণ্ড হিসেবে পরিচিত এই বন্দরে রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে আপনারা যে হাড়ভাঙা খাটুনি খাটছেন, তা কেবল আপনাদের পরিবারের অন্ন সংস্থান করছে না, বরং জাতীয় অর্থনীতিতে রূপালি ইলিশের অবদানকে ত্বরান্বিত করছে। মহিপুর আলীপুর মৎস্য হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন আপনাদের সেই ঘামঝরা শ্রমের মর্যাদা রক্ষায় একটি অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। বিস্তারিত
সাধারণ সম্পাদক
পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার দক্ষিণ উপকূলের অর্থনৈতিক হৃৎপিণ্ড মহিপুর ও আলীপুর মৎস্য বন্দরের প্রাণপ্রিয় সহযোদ্ধা শ্রমিক ভাই ও বন্ধুগণ, আসসালামু আলাইকুম। দক্ষিণাঞ্চলের রুপালি ইলিশের বিপ্লবে আপনারা যারা দিন-রাত হাড়ভাঙা পরিশ্রম করছেন, সেই মেহনতি মানুষের সংগঠন মহিপুর আলীপুর মৎস্য হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন-এর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আপনাদের উদ্দেশ্যে কিছু বলতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি। ১. আমাদের পথচলা ও ঐতিহ্য: মহিপুর ও আলীপুর কেবল দুটি মৎস্য বন্দর নয়, বিস্তারিত
নোটিশ